রমজান মাসের কিছু পরিচিত শারীরিক সমস্যা ও তার প্রতিকার - July24bd

Breaking

July24bd

বাংলাদেশের সর্বশেষ খবর, রাজনীতি, আন্তর্জাতিক সংবাদ, খেলাধুলা, বিনোদন ও ব্রেকিং নিউজের বিশ্বস্ত বাংলা নিউজ পোর্টাল।

script> atOptions = { 'key' : 'bbc99ef66f096113d23e563799348298', 'format' : 'iframe', 'height' : 60, 'width' : 468, 'params' : {} };

Saturday, 21 February 2026

রমজান মাসের কিছু পরিচিত শারীরিক সমস্যা ও তার প্রতিকার

রমজানের রুটিনে ঘুম খাওয়া দাওয়ার কারণে এসময় কিছু পরিচিত শারীরিক সমস্যা হয়ে থাকে অনেকেরই। এতে দিনভর অস্বস্তি ও অস্বাভাবিকতা লেগেই থাকে। তবে তার প্রতিকার জেনে চললে অনেকটা স্বস্তিতে থাকা সম্ভব ।গলা-বুক জ্বলা ও অ্যাসিডিটিসারা দিন খালি পেটে থেকে হঠাৎ অনেক ভারী খাবার খাওয়ার ফলে পেটে গ্যাস, গলা-বুক জ্বলা, ঢেকুর ওঠা ও পেট ফাঁপা রমজানের প্রায়ই এমন সমস্যা হয়ে থাকে। এ সমস্যা কাটাতে ইফতারে অতিরিক্ত ভাজা–পোড়া, তেল-মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা উচিত।একসঙ্গে অনেক বেশি পরিমাণে না খেয়ে অল্প করে ভাগ করে খেতে হবে। ইফতারে একসঙ্গে অনেক পানি পান না করে কিছুক্ষণ বিরতি দিয়ে পানি পান করবেন।সাহ্‌রি খেয়ে শুয়ে পড়লে গলা জ্বলার সমস্যা হয়। তাই সাহ্‌রি খেয়ে ফজরের নামাজ পড়ে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে বসে বিশ্রাম নিয়ে তারপর ঘুমাতে পারেন।কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজমরমজানে কোষ্ঠকাঠিন্য কোষ্ঠকাঠিন্য ও বদহজম এ দুটি পরিচিত সমস্যা। শাকসবজি কম খাওয়ায় কোষ্ঠকাঠিন্য হয়। তাই ইফতারে সব ভাজা খাবার না রেখে সবজি সেদ্ধ বা গ্রিল সবজি, প্রচুর ফল রাখুন।সালাদ ও টক দই খেতে পারেন। ফলের রস বা জুসের চেয়ে গোটা ফলে আঁশ বেশি থাকে। সাহ্‌রিতে অনেকে শুধু মাছ–মাংস খেয়ে থাকেন, এটাও ভালো নয়। আঁশযুক্ত সবজি অবশ্যই রাখবেন। আর প্রচুর পানি পান করবেন।রোজাদারির বদহজম, ডায়রিয়া, আমাশয়জাতীয় সমস্যা প্রায়ই দেখা দেয়। এর মূল কারণ অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ। বাইরের খোলা খাবার বা কেনা ইফতারি যতটা সম্ভব এড়িয়ে যাবেন। ইফতারি স্বাস্থ্যকর ও পরিচ্ছন্ন উপায়ে প্রস্তুত করতে হবে।যদি বাইরে ইফতারের সময় হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে অবশ্যই বিশুদ্ধ পানি সঙ্গে রাখুন। পাতলা পায়খানা বা বমি হলে ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি থাকে। তাই ইফতারের পর স্যালাইন খেতে হতে পারে।প্রস্রাবে জ্বালা বা অস্বস্তিসহ বিভিন্ন সমস্যাকারও কারও পানিশূন্যতার কারণে প্রস্রাবে জ্বালা বা অস্বস্তি হতে পারে। এ জন্য ইফতার থেকে সাহ্‌রি পর্যন্ত ধাপে ধাপে দুই-আড়াই লিটার পানি পান করুন।ডিহাইড্রেশন দূর করতে কোমল পানীয় বা অন্যান্য তরলের চেয়ে পানি সবচেয়ে কার্যকর। চাইলে ডাবের পানি, বাড়িতে তৈরি ফলের রস খেতে পারেন।আরেকটি সমস্যা রাতে প্রস্রাবের পরিমাণ বেশি হওয়া। তাই একসঙ্গে বেশি পানি পান করবেন না।ক্লান্তি ও অবসাদরমজানে ঠিকমতো ঘুম না হওয়া এই ক্লান্তি অবসাদের মূল কারণ। তাই ইফতার ও তারাবিহর পর একটু আগে ঘুমাতে যাওয়া উচিত, যাতে ঘুমের ঘাটতি না হয়।আবার সাহ্‌রিতে ওঠার পর সকালে খানিকটা ঘুমিয়ে নেওয়া যায়। ঘুমের ছন্দ এলোমেলো হয়ে যাওয়ার কারণে প্রথম দিকে একটু সমস্যা হয়, কিন্তু পরে ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যায়।পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ করলে ক্লান্তি হবে না। আর দরকার যথেষ্ট পানি পান করা।

No comments:

Post a Comment