কুড়িগ্রামে জামানত হারালেন ১৮ প্রার্থী - July24bd

Breaking

July24bd

বাংলাদেশের সর্বশেষ খবর, রাজনীতি, আন্তর্জাতিক সংবাদ, খেলাধুলা, বিনোদন ও ব্রেকিং নিউজের বিশ্বস্ত বাংলা নিউজ পোর্টাল।

script> atOptions = { 'key' : 'bbc99ef66f096113d23e563799348298', 'format' : 'iframe', 'height' : 60, 'width' : 468, 'params' : {} };

Sunday, 15 February 2026

কুড়িগ্রামে জামানত হারালেন ১৮ প্রার্থী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রামের চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ২৮ প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জন জামানত হারিয়েছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে। জামানত হারানোদের দলে রয়েছেন- জাতীয় পার্টি (জাপা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাসদ, কমিউনিস্ট পার্টি, গণঅধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী। প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, ২৮ প্রার্থীর মধ্যে ১৮ জন কাস্টিং ভোটের ন্যূনতম এক-অষ্টমাংশ ভোট অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের জামানতের টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা পড়েছে। কারণ নির্বাচন বিধিমালা মোতাবেক কোনো নির্বাচনি আসনের প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পেলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। কুড়িগ্রাম-১ (নাগেশ্বরী-ভূরুঙ্গামারী): এ আসনে ভোট পড়েছে মোট ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৭৮৭টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৪৪ হাজার ৫৯৮ ভোট। ছয় প্রার্থী আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। তাদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন তিনজন। তারা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশর হারিসুল বারী (হাতপাখা) পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৮০৭ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের বিন ইয়ামিন মোল্লা (ট্রাক), পেয়েছেন ২৩১ ভোট এবং জাকের পার্টির আব্দুল হাই (গোলাপ ফুল) পেয়েছেন ২ হাজার ৯০৭ ভোট। কুড়িগ্রাম-২ (সদর- ফুলবাড়ী-রাজারহাট): আসনে মোট ভোট পড়েছে ৩ লাখ ৯৪ হাজার ২টি। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৪৯ হাজার ২৫২ ভোট। ৯ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও ৭জনই জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- জাতীয় পার্টির পনির উদ্দিন আহমেদ (লাঙ্গল) পেয়েছেন ১৩ হাজার ৮৪৬ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশর নূর বখত (হাতপাখা) পেয়েছেন ২৪ হাজার ৮২৯ ভোট, নাগরিক ঐক্যের মোহাম্মদ আব্দুস সালাম (কেটলি) পেয়েছেন ১ হাজার ১০০ ভোট, সিপিবির নূর মোহাম্মদ (কাস্তে) পেয়েছেন ৬৫৭ ভোট, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান (কাঁঠাল) পেয়েছেন ৪২১ ভোট, এবি পার্টির নজরুল ইসলাম খান (ঈগল) পেয়েছেন ৯০৪ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাফিউর রহমান (হাঁস) পেয়েছেন ৩১৪ ভোট পান। কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর): ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭০ ভোটারের এ আসনে ভোট পড়ে ২ লাখ ২৩ হাজার ৮১০। জামানত রক্ষার জন্য প্রয়োজন ছিল ৪৬ হাজার ৫৮ ভোট। ৬ প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন জামানত হারিয়েছেন। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- জাতীয় পার্টির আব্দুস সোবহান (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২ হাজার ১১২ ভোট, গণঅধিকার পরিষদের সরকার নূরে এরশাদ সিদ্দিকী (ট্রাক) পেয়েছেন ৫৯৯ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাফিউর রহমান (হাঁস) পেয়েছেন ২৩৯ ভোট । উল্লেখ্য, সাফিউর রহমান একই সঙ্গে কুড়িগ্রাম-২ আসনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন সেখানেও। কুড়িগ্রাম-৪ (চিলমারী-রৌমারী-রাজীবপুর): আসনে মোট ভোট পড়ে ২ লাখ ২২ হাজার ৪৬৭। জামানত রক্ষায় প্রয়োজন ছিল ২৭ হাজার ৮০৮ ভোট। ওই হিসেবে ৭ প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ৫ জন। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- জাতীয় পার্টির কেএম ফজলুল মণ্ডল (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২ হাজার ১৮০ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশর হাফিজুর রহমান (হাতপাখা) পেয়েছেন ৬ হাজার ২৩১ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী রুকুনুজ্জামান (বালতি) পেয়েছেন ২০ হাজার ৯০২ ভোট, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) রাজু আহমেদ (কাঁচি) পেয়েছেন ৩২০ ভোট এবং বাসদের শেখ মোহাম্মদ আব্দুল খালেক (মই) পেয়েছেন ২০১ ভোট। তথ্য মতে, জেলায় চারটি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার ছিলেন ১৮ লাখ ৯৯ হাজার ৯৩৭ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯ লাখ ৪৫ হাজার ৭১৪ জন, নারী ৯ লাখ ৫৪ হাজার ২০৯ এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৪ জন। ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে জেলার আসনগুলোতে মোট ভোট পড়েছে ১১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৬ ভোট, যা মোট ভোটারের প্রায় ৬৩ শতাংশ।

No comments:

Post a Comment