মধ্যস্বত্বভোগী হটাতে কৃষক কার্ড চালু করছে সরকার - July24bd

Breaking

July24bd

বাংলাদেশের সর্বশেষ খবর, রাজনীতি, আন্তর্জাতিক সংবাদ, খেলাধুলা, বিনোদন ও ব্রেকিং নিউজের বিশ্বস্ত বাংলা নিউজ পোর্টাল।

script> atOptions = { 'key' : 'bbc99ef66f096113d23e563799348298', 'format' : 'iframe', 'height' : 60, 'width' : 468, 'params' : {} };

Monday, 23 February 2026

মধ্যস্বত্বভোগী হটাতে কৃষক কার্ড চালু করছে সরকার

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের প্রান্তিক কৃষকদের জন্য বিশেষ ‘কৃষক কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। প্রকৃত কৃষকদের শনাক্ত করে সরাসরি সরকারি সেবা ও সহায়তা পৌঁছে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। সোমবার দুপুরে, সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন সাংবাদিকদের জানান, টিসিবির ‘ফ্যামিলি কার্ডের’ আদলে কৃষকদের জন্য এই স্মার্ট কার্ড তৈরি করা হচ্ছে। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কৃষি খাতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা। মন্ত্রী বলেন, একজন মোবাইল সিম ক্রেতা যেমন সরাসরি সব সেবা পান, স্মার্ট কার্ডের মাধ্যমে কৃষকের সঙ্গে রাষ্ট্রের যোগাযোগও হবে সরাসরি। এর ফলে কোনো তৃতীয় পক্ষ বা স্থানীয় প্রভাবশালীরা কৃষকদের হকের টাকা বা সুবিধা আত্মসাৎ করতে পারবে না। এই স্মার্ট কার্ড শুধু একটি পরিচয়পত্র নয়, বরং এটি কৃষকদের জন্য একটি সমন্বিত সেবা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে। এর মাধ্যমে কৃষকরা যেসব সুবিধা পাবেন, সেগুলোর মধ্যে থাকছে সার, বীজ ও কীটনাশকসহ সব ধরনের কৃষি উপকরণে সরকারি প্রণোদনা ও সহায়তা। আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি সহজলভ্য করা এবং উন্নত কৃষি জ্ঞান আহরণ। স্মার্ট প্রযুক্তির মাধ্যমে বাজার পরিস্থিতি, উৎপাদনের অবস্থা এবং আবহাওয়ার আগাম বার্তা। সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে চাষাবাদ ও বিক্রয় পরিকল্পনা করার সুযোগ। সরকার সারা দেশের সব কৃষককে এই কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে শুরুতে এটি ব্যাপক পরিসরে না হয়ে ‘পাইলট প্রকল্প’ বা পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে চালু করা হবে। প্রকল্পের প্রস্তুতি ও কারিগরি দিকগুলো বিবেচনা করে যত দ্রুত সম্ভব বিতরণ শুরু করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। মন্ত্রী জানান, এটি বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকারের একটি বড় অংশ এবং প্রধানমন্ত্রী বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। সভায় কৃষি কার্ডের ডাটাবেজ তৈরি এবং বিতরণ পদ্ধতির কারিগরি দিকগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সরকারি কর্মকর্তাদের প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন যেন ডাটাবেজ তৈরির সময় প্রকৃত কৃষকদের সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা হয়। এতে করে রাষ্ট্রীয় পরিকল্পনা গ্রহণ সহজ হবে এবং বাজেটের সঠিক বণ্টন সম্ভব হবে। তথ্যমন্ত্রী আরও জানান, যদিও বিতরণের সুনির্দিষ্ট তারিখ এখনই বলা যাচ্ছে না, তবে সরকার যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এর প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। এই কার্ড চালু হলে বাংলাদেশের কৃষি খাতে এক বিপ্লব সূচিত হবে এবং প্রান্তিক কৃষকরা প্রকৃত অর্থেই স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

No comments:

Post a Comment