![]() |
ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম, ক্ষতির আশঙ্কা ব্যবসায়ীদের
| সকল খবর পড়তে গুগল নিউজ আমাদের সাথে থাকুন। |
শ্রমিক-কর্মচারিদের ডাকা ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম। পণ্য উঠানামা না হওয়ায় ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য।
এনসিটি’র ইজারা ‘ডিপি ওর্য়াল্ড’কে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ‘বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’ গত শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত তিন দিন আট ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করে। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কর্মসূচি শেষে মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে ২৪ ঘন্টার কর্মবিরতির ডাক দেয় তারা।
অন্যদিকে আন্দোলরত কর্মচারীদের বদলিও করা হচ্ছে অন্য জায়গায়। সোমবারও (২ ফেব্রুয়ারি) আন্দোলনরত ১৫ কর্মচারীকে নতুন করে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এ বদলির কথা জানানো হয়। তবে বদলির আদেশে দমাতে পারেনি আন্দোলনকারীদের।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সরেজমিনে বন্দরে গিয়ে দেখা যায়, একদিকে যেমন বন্দরে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানামা বন্ধ রয়েছে। গতকাল সকাল থেকে পণ্য পরিবহনের জন্য কোনো ধরনের যানবাহন ভেতরে প্রবেশ করেনি, বন্দরের যন্ত্রপাতিও চলেনি। অন্যদিকে বেসরকারি ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোগুলোতে (অফডক) জমেছে রপ্তানি পণ্যের পাহাড়। বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীদের এ কর্মবিরতি চলার কথা রয়েছে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত। দ্রুত এই সংকটের সমাধান না হলে আন্তর্জাতিক নৌবাণিজ্যে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি বড় ধরনের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক ও বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের নেতা মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, বন্দরের ভেতরে কোন ধরণের কাজ হচ্ছে না।“সকাল থেকে শ্রমিক-কর্মচারীরা আমাদের দাবির সাথে একমত হয়ে কাজে অংশ নিচ্ছে না। এদিন কোন জাহাজ আসছে না বা বন্দর ছেড়ে যাচ্ছে না। বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম একপ্রকার বন্ধই বলা যায়।
বন্দরের একজন র্বাথ অপারেটর বলেন, অন্যান্যদিনের মতো মঙ্গলবারেও আমরা কাজের জন্য শ্রমিকদের বুকিং দিতে পারিনি। জেনারেল কার্গো বাথে কোন কাজ হচ্ছে না। টানা কর্মবিরতির কারণে আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।

No comments:
Post a Comment